চলাচল চলচ্চিত্র

চলাচল চলচ্চিত্র

চলাচল চলচ্চিত্র নিয়ে আজকের আলাপ। এই ছবিটি প্রযোজনা করেছি এভারেষ্ট সিনে কর্পোরেশন। চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন অসিত সেন।

 

 

চলাচল চলচ্চিত্র

  • প্রযোজনা —এভারেষ্ট সিনে কর্পোরেশন।
  • প্রযোজক — বিদ্যাভূষণ।
  • কাহিনি ও সংলাপ- আশুতোষ মুখোপাধ্যায়।
  • চিত্রনাট্য ও পরিচালনা — অসিত সেন।
  • সংগীত পরিচালনা – নির্মল ভট্টাচার্য, ভি বালসারা
  • চিত্রগ্রহণ – অনিল বন্দ্যোপাধ্যায়, অজয় মিত্র।
  • শিল্প নির্দেশনা – বটু সেন।
  • শব্দগ্রহণ — গৌর দাস, সত্যেন চট্টোপাধ্যায়।
  • সম্পাদনা – দুলাল দত্ত।
  • গীত রচনা — অনিল ভট্টাচার্য, শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • উপদেষ্টা – প্রভাত মুখোপাধ্যায়।

অভিনয় –

অরুন্ধতী দেবী, চন্দ্রাবতী দেবী, তপতী ঘোষ, অসিতবরণ, পাহাড়ী সান্যাল, নির্মলকুমার, জহর রায়, খগেন রায়, অনিল চট্টোপাধ্যায়, প্রভাত মুখোপাধ্যায়, পি. সি. সরকার (বড়)।

 

 

নেপথ্য সংগীত —

ধনঞ্জয় ভট্টাচার্য, শ্যামল মিত্র, তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মৃণাল চক্রবর্তী।

কাহিনি—

মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে সরমা ব্যানার্জী (অরুন্ধতী) মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রী। ডাঃ চন্দ্র সরমাকে অত্যন্ত স্নেহ করেন। ডাঃ চন্দ্রর মারফত তার সাথে পরিচয় হয় অবিনাশের (নির্মলকুমার)। ডাঃ চর বন্ধুপুর মন্টুর জন্য গৃহশিক্ষক হিসাবে অবিনাশকে নির্বাচন করলেও অবিনাশের অনুরোধে মন্টুর শিক্ষক হিসাবে সরমাকে নিয়োগ করেন যাতে সে আর্থিক অসুবিধা থেকে মুক্তি পায়।

অবিনাশের পরিবারের ইতিহাসে যক্ষ্মা রোগের কারণে অনেকেই অসুস্থ হয়েছেন। অবিনাশ নিজেও যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত। সরমার সেবা এবং ডাঃ চন্দ্রর চিকিৎসায় সে সুস্থ হয়। অবিনাশ ও সরমার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠতায় পরিণত হলেও অবিনাশের বাধায় এই সম্পর্ক কোনো পরিণতি পায় নি। মন্টুর দাদা বিপিন (অসিতবরণ) শেয়ারের ব্যবসায় বড়লোক এবং সরমার রূপে মুগ্ধ। বিপিন সরমাকে বিয়ে করতে চায় এবং সরমা দাদার ইচ্ছার মর্যাদা দিতে বিয়েতে মত দিতে বাধ্য হয়। বিপিন সরমাকে বিয়ে করলেও অবিনাশের সাথে তার সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে। সরমাকে সুখী করার জন্য অবিনাশ কলকাতা ছেড়ে চলে যায়।

 

Google News চলাচল চলচ্চিত্র
গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

 

বিপিনের শেয়ার ব্যবসায় প্রচুর ক্ষতি হয় এবং সে কপর্দকশূন্য হয়ে পড়ে। এই রকম মানসিক অবস্থার মধ্যে সরমার হাতের লেখা নকল করে অবিনাশের লেখা একটি পুরোনো চিঠি বিপিনের মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে এবং সে আত্মহত্যা করে। পুলিস প্রাথমিক ভাবে সরমাকে শুনি হিসাবে সন্দেহ করলেও আদালতের বিচারে সুরমা মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্তি পায়।

পরবর্তীকালে অবিনাশ আবারও যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে সরমার হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং সরমার সব আশার সমাপ্তি ঘটিয়ে ঐ রোগেই তার মৃত্যু হয়। ছবিটি তৎকালীন সময়ে সমালোচকদের এবং সমঝদার দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করেছিল।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

    মন্তব্য করুন

    আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।