কাকনতলা লাইট রেলওয়ে চলচ্চিত্র

কাকনতলা লাইট রেলওয়ে চলচ্চিত্র

কাকনতলা লাইট রেলওয়ে চলচ্চিত্রটি নিয়ে আমাদের আজকের আলোচনা- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন প্রেমেন্দ্র মিত্র। এতে অভিনয় করেছেন কবিতা সরকার, প্রভা দেবী, শোভা সেন, জহর গঙ্গোপাধ্যায়, ধীরাজ ভট্টাচার্য, বিকাশ রায়, গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।

কৃষ্ণবাবু ন্যারোগেজ লাইনে একটি ছোট স্টেশনের স্টেশন মাস্টার। শিবানীকে নিজের মেয়ে পরিচয়ে বড় করে তোলেন।প্রতিবেশী অবসরপ্রাপ্ত বোটানী অধ্যাপক। প্রফেসরের ছেলে প্রবীর বি.এ. পাস করেও বাস সার্ভিসে ড্রাইভারের চাকরি করে।হঠাৎই জানা যায় শিবানী এক জমিদারের মেয়ে। শিবানীর বাড়ির লোকেরা তাকে নিয়ে যায়। শিবানীর বাড়ির লোকেদের মনোনীত পাত্র মানসিক ভারসাম্যহীন জানতে পেরে প্রফেসর এই বিয়ে ভেস্তে দিয়ে নিজের ছেলের সাথে শিবানীর বিয়ের ব্যবস্থা করেন।

কাকনতলা লাইট রেলওয়ে চলচ্চিত্র । বাংলা চলচ্চিত্রের অভিধান

 

কাকনতলা লাইট রেলওয়ে চলচ্চিত্র

  • প্রযোজনা—এম. পি. প্রোডাকসন।
  • প্রযোজক — মুরলীধর চট্টোপাধ্যায়।
  • কাহিনি, চিত্রনাট্য, গীতরচনা ও পরিচালনা – প্রেমেন্দ্র মিত্র।
  • সংগীত পরিচালনা – কৃষ্ণচন্দ্র দে।
  • চিত্রগ্রহণ – সুশান্ত মৈত্র।
  • শিল্প নির্দেশনা—সুধীর খান।
  • শব্দগ্রহণ — জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।
  • সম্পাদনা – কমল গঙ্গোপাধ্যায়।

কাকনতলা লাইট রেলওয়ে চলচ্চিত্রে যারা অভিনয় করেছেন —

কবিতা সরকার, প্রভা দেবী, শোভা সেন, জহর গঙ্গোপাধ্যায়, ধীরাজ ভট্টাচার্য, বিকাশ রায়, গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, কৃষ্ণধন মুখোপাধ্যায়, নবদ্বীপ হালদার, মণি চক্রবর্তী, আশা দেবী, মাধুরী মুখোপাধ্যায়।

নেপথ্য সংগীত — সুপ্রীতি ঘোষ, জগন্ময় মিত্র, কল্যাণী দাস, ভারতী বসু।

 

Google News কাকনতলা লাইট রেলওয়ে চলচ্চিত্র
গুগল নিউজে আমাদের ফলো করুন

 

কাকনতলা লাইট রেলওয়ে চলচ্চিত্রের কাহিনি—

বিপত্নীক, হাড়কস, বদমেজাজি মানুষ কৃষ্ণবাবু (জহর) ন্যারোগেজ লাইনে একটি ছোট স্টেশনের স্টেশন মাস্টার। একদিন সকালে কান্নার আওয়াজ পেয়ে দেখেন একটি বাচ্চা মেয়ে তাঁর বারান্দায় পড়ে আছে। প্রাথমিক ভাবে মেয়েটিকে নিকটবর্তী থানায় জমা দেওয়ার ইচ্ছা থাকলেও ঘটনাচক্রে নিজের মেয়ে পরিচয়ে তাকে বড় করে তোলেন।

শিবানী (কবিতা) বাবাঅন্ত প্রাণ, কুঞ্জবাবুও মেয়ে ছাড়া কিছু বোঝেন না। প্রতিবেশী অবসরপ্রাপ্ত বোটানী অধ্যাপকের (ধীরাজ) বাগানের গাছ শিবানীর পোষা ভেড়া খেয়ে নেয়। অধ্যাপক কুঞ্জবাবুর কাছে নালিশ করতে গিয়ে তাঁর দাবা খেলার বন্ধু হয়ে ওঠেন। ন্যারোগেজ লাইনের প্রতিযোগী বাস সার্ভিসে কর্মরত লোকেদের কুঞ্জবাবু পছন্দ করেন না।

প্রফেসরের ছেলে প্রবীর (বিকাশ) বি.এ. পাস করেও ঐ বাস সার্ভিসে ড্রাইভারের চাকরি করে। প্রবীরের সাথে শিবানীর বিয়ের কথাবার্তা হয়।

 

 

হঠাৎই জানা যায় শিবানী এক জমিদারের মেয়ে। এক দরিদ্র অত্যাচারিত প্রজা প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য শিবানীকে ছোটবেলায় অপহরণ করে কুঞ্জবাবুর বাড়িতে রেখে গিয়েছিল। শিবানীর বাড়ির লোকেরা তাকে নিয়ে যায় এবং অন্যত্র বিয়ে ঠিক করে। শিবানীর বাড়ির লোকেদের মনোনীত পাত্র মানসিক ভারসাম্যহীন জানতে পেরে প্রফেসর প্রবীরের সহযোগিতায় এই বিয়ে ভেস্তে দিয়ে নিজের ছেলের সাথে শিবানীর বিয়ের ব্যবস্থা করেন।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

    মন্তব্য করুন

    আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।